প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 13, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jan 2, 2026 ইং
ট্রাভেল এজেন্সি আইনে বড় পরিবর্তন, অনলাইনে ব্যাংক গ্যারান্টি ১ কোটি

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১ জানুয়ারি এ অধ্যাদেশ জারি করেন এবং সংশ্লিষ্ট গেজেট প্রকাশ করেছে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ। সংশোধিত অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য পৃথক ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে, যেখানে অফলাইন এজেন্সির জন্য গ্যারান্টি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং অনলাইন এজেন্সির ক্ষেত্রে তা বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ফলস বুকিংয়ের মাধ্যমে বানোয়াট আসন সংরক্ষণ করে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং কোনো এজেন্সি অন্য এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় বা সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করতে পারবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণামূলক বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় দেশ থেকে টিকিট কেনাবেচা ও টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করে বলা হয়েছে, আইন লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্টদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে প্রতি তিন বছর অন্তর নিবন্ধন নবায়ন, প্রতি বছর আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Revolt News BD